বিজয়ের পথে
যাত্রা শুরু
জীবন অথবা মৃত্যু
"লড়াই ছাড়া মেহনতি জনতার মুক্তি নাই" এই স্লোগানকে ধারণ করে আধিপত্যবাদমুক্ত ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আপসহীন আন্দোলন।

সকল প্রকার আধিপত্যবাদের অবসান ঘটিয়ে প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বময় বাংলাদেশ বিনির্মাণ যেখানে মানবিকতা ও ইনসাফ প্রতিটি নাগরিকের প্রাপ্য।
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব
ঐতিহাসিক মুক্তি সংগ্রামের মহান অর্জন বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন ও সুসংগঠিত করা।
গণতন্ত্র
স্বাধীন জাতির ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে কেবল ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা নয়, বরং নাগরিকদের অর্থবহ জীবন-জীবিকা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা।
ইসলামী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
ইসলামী মূল্যবোধকে ধারণ এবং একই সাথে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বীদের সমন্বয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করা।
ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর স্বদেশ
দুর্নীতি দমন, শোষিত-বঞ্চিত জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর স্বদেশ গড়ে তোলা।
দলীয় পতাকা
গাঢ় সবুজ জমিনের ওপরের বাম কোণে একটি বড় লাল তারকাকে ঘিরে আনুপাতিক হারে ছোট তিনটি লাল তারকা বিদ্যমান।
দলীয় নির্বাচনী প্রতীক
আমরা মসজিদ মন্দির গির্জা নিজের ঘর যেভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পবিত্র রাখতে চাই একইভাবে পবিত্র রাখা প্রয়োজন আমাদের মাতৃভূমি প্রিয় দেশটাকে।
স্বচ্ছ দৃষ্টিতে দেখি পবিত্র বাংলাদেশ।
ইনসাফের দৃষ্টিতে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে জাগপা'র প্রতীক — চশমা।।

কান্ডারী হুঁশিয়ার
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
“ দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার হে
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মত?
কে আছ জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যৎ
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!
তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান!
যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান!
ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান
ইহাদের পথে, দিতে হবে সাথে, নিতে হবে অধিকার! ”